মফস্বল সংবাদ  

দাগনভূঞা উপজেলার জগতপুর গ্রাম বিলীন হতে চলেছে

ছোট ফেনী নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে দাগনভূঞার জনবহুল গ্রাম জগতপুর। ইতোমধ্যে কয়েকটি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে, বসতভিটা হারিয়ে তারা এখন পথের ভিখারী। পানি বাড়ার সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ভাঙ্গন। ফাজিলের ঘাট তালতলী সড়ক নদীর প্রবল স্রোতে যানচলাচল বিছিন্ন হয়ে পড়েছে। ভাঙ্গনের আতংকে প্রহর গুনছে শতাধিক পরিবার। ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত আবদুল মালেক (৮০) জানান, নদীর গতিপথ পরিবর্তনের ফলে ও কাজিরহাট রেগুলেটর না থাকায় অবাধ জোয়ারে ভেঙ্গে যাচ্ছে জগতপুর গ্রাম। এছাড়াও নদীর পার্শ্বে জেলে পাড়ার প্রায় ৩০টি পরিবার ভাঙ্গনের মুখে রয়েছে। ভাঙ্গনের পূর্বে তালতলী সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার লোক চলাফেরা করত। কিন্তু রাস্তাটি ভাঙ্গনের কবলে পড়ায় গ্রামের মানুষ সীমাহীন কষ্টের মধ্যে রয়েছে। তাদের অনেক পথ পাড়ি দিয়ে উপজেলা সদরে আসতে হয়। অপরদিকে দাগনভূঞার কৃতী সন্তান ভাষা শহীদ সালামের নামে জাদুঘর ও গ্রন্থাগার রক্ষা করার আপ্রাণ চেষ্টা হচ্ছে বালুভর্তি বস্তা ফেলে। তারপরও এলজিইডি’র পাকা রাস্তাটির শেষরক্ষা হয়নি।

স্থানীয় এলাকাবাসী, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, কাজিরহাট রেগুলেটর না থাকায় সমুদ্রের পানি অবাধে প্রবেশের ফলে নদীর বাঁক এলাকা দাগনভূঞার জগতপুরের বিস্তীর্ণ এলাকায় ভাঙ্গন শরু হয়। প্রায় ২ কিঃ মিঃ এলাকা ভাঙ্গন কবলিত হয়। বর্ষা আসার সাথে সাথে সমুদ্রের জোয়ারের পানি উঠে আসে জনপদে এবং এলাকায় তীব্রভাবে আঘাত হানে। ভাঙ্গনের ফলে দাগনভূঞার সদর ইউনিয়নের জগতপুর গ্রামের নদী সংলগ্ন অংশ এবং ফাজিলের ঘাট, তালতলী এলজিইডি’র পাকা সড়ক ইতোমধ্যে নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। জগতপুর গ্রামবাসীর দাবি নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে আমাদের বাঁচান।
     
lbheading